হ্যাঁ এটাই বাস্তব কাহিনী হয়ে দাঁড়ায় 🥰


 একটি মেয়ের জন্ম থেকে বিয়ে পর্যন্ত—তার বাবা-মা কত স্বপ্ন, কত ত্যাগ আর কত ভালোবাসা দিয়ে তাকে বড় করে তোলেন! ২০–২৫ বছর ধরে নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে তাকে খাওয়ান, পড়ান, মানুষ করেন🥰


তারপর একদিন মেয়েটি বিয়ে হয়ে অন্য ঘরে চলে যায়। যখন সে মা হতে চলেছে, তখনও অনেক সময় তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বাবার বাড়িতে। সন্তান জন্ম দেওয়া থেকে শুরু করে নবজাতকের যত্ন—সব দায়িত্ব যেন আবার সেই বাবা-মায়ের কাঁধেই এসে পড়ে🥰


কিন্তু সময়ের চাকা ঘুরে যখন সেই বাবা-মা বৃদ্ধ হন, তখন সমাজের অদৃশ্য কিছু নিয়ম যেন তাদের মেয়ের কাছে যাওয়ার অধিকারটুকুও সংকুচিত করে দেয়। নিজের মেয়ের বাড়িতে দু'দিন থাকলেও নানা কথা শুনতে হয়—"জামাইয়ের বাড়িতে এসে পড়ে আছে!🥰


কী অদ্ভুত এই সমাজ! যে বাবা-মা মেয়ের জীবনের প্রতিটি কঠিন সময়ে পাশে থাকেন, তারাই শেষ বয়সে মেয়ের সান্নিধ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সংকোচে ভোগেন। অথচ মেয়ের শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি যত দায়িত্ব ও অধিকার স্বাভাবিকভাবে স্বীকৃত, মেয়ের নিজের বাবা-মায়ের প্রতি সেই আন্তরিকতাও সমানভাবে সম্মান পাওয়ার কথা🥰


মেয়ের বিয়ে মানে বাবা-মায়ের সঙ্গে তার সম্পর্কের ইতি নয়। বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ছেলে-মেয়ে ভেদে আলাদা হতে পারে না। বৃদ্ধ বয়সে তাঁদের সবচেয়ে বড় চাওয়া—সন্তানের একটু সময়, একটু ভালোবাসা আর সম্মান। এই অধিকার থেকে কোনো বাবা-মাকেই বঞ্চিত করা উচিত নয় 🥰

Comments

Popular posts from this blog

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল ও এআই (AI) প্রযুক্তির এক অভাবনীয় জগত! ⚽️🏆✨

কেমন লাগলো আপনাদের কাছে 🥰😍🥰

আপনাদের প্রশ্নের উত্তর 👇