আজ আমার ফেসবুকে সারাদিন একটি ভিডিও সামনে আসছে 🤩
গায়ে ৪২ কেজি ওজনের গহনা পড়া নাকে নথ, কানে দুল, হাতে চুড়ি, আর নারীদের পোশাক পরে ডান্স করছে, তথাকথিত বিনোদন সাংবাদিকদের কাছ থেকে তকমা পাওয়া, দেশের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষ এডলফ খান 🤩
আমাদের সমাজ ব্যবস্থা আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে এটা না দেখলে কেউ বুঝতে পারবে না। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এদের কাছ থেকে কি শিখবে। আমরা আইডল কাকে বানাবো। আধুনিকতার নামে দিন দিন সমাজ ব্যবস্থা নিকৃষ্টের দিকে যাচ্ছে। মুসলিম হিসেবে আমরা লজ্জিত 🤩
সমাজ ব্যবস্থা যত উন্নত হোক না কেন ছেলেদের পোশাক ছেলেদের আর মেয়েদের পোশাক মেয়েদের কে মানায়। পরবর্তী প্রজন্ম নিয়ে আমি খুব চিন্তিত। তারা যখন সোশ্যাল মিডিয়া দেখে অবশ্যই তাদেরএসব কর্মকাণ্ড দেখে দেখে মানসিক প্রভাব পড়বে। একটা মানুষ প্রথম শিক্ষা পায় পরিবার থেকে তারপর পায় তা সমাজ থেকে🤩
আমার সন্তান যদি এমন করে তবে কি আমি এটা মেনে নিতে পারবো। মুসলিম হিসেবে একটা মা-বাবার কাছে এটা খুবই কষ্টের। এটা যদি হয় এদেশের সুদর্শন পুরুষ তবে থাক এমন তো দর্শন পুরুষের চেয়ে কুৎসিত পুরুষই ভালো। যাদের ছেলে সন্তান আছে দয়া করে তারা নিজেদের চাঁদের প্রতি খেয়াল রাখবেন। তারা যেন অদ্ভুত সৌন্দর্যের দিকে ধাবিত না হয়। এমন অদ্ভুত সুদর্শন পুরুষ হতে না চায়। সুদর্শন পুরুষ হয় মানুষের কর্মে মহিলাদের কাপড় আর সাজগোজ করে কোন পুরুষ সুদর্শন হতে পারে না 🤩
প্রত্যেকেরই উচিত যার যার ধর্ম থেকে এদের ধর্ম করা। কোন ধর্মে কিন্তু খারাপ কিছু বলেনি। নারী যদি পুরুষের বেশ ধরে পুরুষ যদি নারীর বেশ ধরে তবে সমাজের অবনতি খুব নিকটে 🤩
সস্তা ভিউ পাওয়ার জন্য মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে এদেরকে না দেখলে বোঝা যায় না। আবার কিছু অশিক্ষিত মানুষ এদের মত মানুষকেই সুদর্শন পুরুষের বলে আখ্যায়িত করে থাকে🤩
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার সম্পর্কে আমাদের আরো সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে বাচ্চাদের দিকে খেয়াল রাখতে হবে 🤩
তারা যেন অদ্ভুত ফ্যাশনের প্রতি আকৃষ্ট না হয়। আকৃষ্ট হলে সমাজ ব্যবস্থা কোথায় চলে যাবে আমরা তা ধারণা করতে পারবো না। আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন 🤩
🤲 আমিন 🤲

Comments
Post a Comment